শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০২:৩৪ অপরাহ্ন
জবির রক্তে আন্দোলন, ইতিহাসেও তার প্রমাণ আছে!
সাদমান সাকিব, জবি প্রতিনিধি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সুযোগ সুবিধা অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে তুলনামূলক অনেক। তাই আজ অব্দি শিক্ষার্থীরা পেয়েছে তা আন্দোলন করেই আদায় করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম পিএইচডি।
শনিবার (১৭মে) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোঃ রেজাউল করিম, পিএইচডি অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ১ম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।
অনুষ্ঠানে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীনের এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিধি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য রেজাউল করিম পিএইচডি, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন এবং জবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোঃ মোশাররফ হোসেনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যানবৃন্দ, শিক্ষক ও অ্যালামনাইবৃন্দ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
বিভাগের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মিলনমেলায় পরিণত হয় এ আয়োজন। অনুষ্ঠান কোরআন তেলাওয়াত, নাতে রাসুল ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় দিনব্যাপী আয়োজন। ‘স্পন্দন’ নামক স্মারক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
স্মৃতিচারণ, রেফেল ড্র ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের গঠনতন্ত্র কার্যনির্বাহী কমিটির রূপলেখা প্রণয়ন করা হয়।
অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকেই আমরা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছিলাম। সে লক্ষ্যে কমিটি গঠন করা হলেও, তৎকালীন ফ্যাসিবাদী আচরণের কারণে তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। জুলাই বিপ্লবের পর অর্জিত গণতান্ত্রিক পরিবেশে আজ আমরা বিভাগের প্রথম অ্যালামনাই পুনর্মিলনীর আয়োজন করতে পেরেছি। এই পুনর্মিলনী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম বলেন, “এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থীদের সুযোগ সুবিধা তুলনামূলকভাবে অপ্রতুল। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা আন্দোলনের মাধ্যমেই তাদের অধিকার আদায় করে থাকে। ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থীরা ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। গতকালই আমাদের আরেকটি সফল আন্দোলনের সমাপ্তি হয়েছে। ছাত্র শিক্ষকদের এবারের আন্দোলনে আমাদের অভূতপূর্ব সফলতা পাওয়া গেছে। তিনি আরও বলেন, “অ্যালামনাইরা দেশ-বিদেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফলতার সাথে কাজ করছে। আশা করি, তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নেও ভূমিকা রাখবে।